Description
কাহিনী পুরোটাই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র এর পটভূমিতে। তবে অবধারিত ভাবে এসেছে বাংলাদেশ! কাহিনীর আগে বলে নেওয়া ভাল আপনি উইকিপিডিয়া তে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার যে আর্টিকেল আছে তার এক কোনে পাবেন দিওয়ান চান্দ মালিকের নাম! বাংলাদেশের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে যে দীর্ঘদিন ছিল সেই প্রতিষ্ঠানে, যখন জানতে পারে তারা ততদিনে হাওয়া মালিক সাহেব! সেই আলোকে গড়ে উঠেছে “মালিক” উপন্যাস টি।.মালিক নামের এজেন্ট হুট করে নাই হয়ে যায়, দীর্ঘদিনের এজেন্ট সুইসাইড করে, ভিয়েনা তে একজন দিক বদল করে সি আই এ এর কাছে চলে যায়! ফলাফল ১০ বছর ছিটকে পরে থাকা অর্জুন পান্ডে কে তুলে নিয়ে আসা হয় মালিক কে খুজতে! মালিক যার নাম বাংলাদেশ স্টেশন থেকে আসে যে সে একজন মোল! অর্জুন যে বাংলাদেশে অপারেশনের ব্যর্থতার কারনে বাতিলের খাতায়!খেলা চালু! একদিকে ভিয়েনা তে চলে এক তদন্ত, আরেকদিকে অর্জুনের তদন্ত, ধাওয়া করা মালিক এবং সুরেশের রেখে যাওয়া চিহ্নের পিছনে! সাথে মৃত্যুর হুমকি পিছু ছাড়ছে না অর্জুনদের, শত্রু যেন এক ধাপ এগিয়ে! একসময় ভিয়েনার এজেন্ট কে আসতে হয় ভারতে, তার টার্গেট অর্জুন পান্ডে! নীরবে অর্জুনের সাথে থাকে তার ভালোবাসা আরেক এজেন্ট আরতি যে এখন উচ্চপদে!.কাহিনীর বাক বদল হতে থাকে, তবে পাঠক সম্পূর্ন এক ভিন্ন জিনিসের দেখা পাবে শেষ কয়েকটা চ্যাপ্টারে! যখন ঘটনা বদলে যেতে শুরু করবে! ক্ষনে ক্ষনে, বাকে বাকে!








Reviews
There are no reviews yet.